Skip to content
Heritage KashmirPampore Saffron FPO, J&KThe Heritage Kashmir - Pampore Saffron FPO, J&K— home

Heritage Kashmir · পশ্চিমবঙ্গ

আসল শিলাজিৎ — বিশুদ্ধ হিমালয়ান রেজিন

বাজারে পাওয়া বেশিরভাগ শিলাজিৎ নকল। আগে চিনতে শিখুন, তারপর কিনুন — আমাদের কাছ থেকে হোক বা অন্য কারও।

  • বিশুদ্ধ রেজিন
  • FSSAI লাইসেন্সপ্রাপ্ত
  • ২০ গ্রাম
  • সারা ভারতে
আসল শিলাজিৎ — বিশুদ্ধ হিমালয়ান রেজিন

শিলাজিতের দাম এবং কতদিন চলে

আসল বিশুদ্ধ শিলাজিৎ রেজিন সস্তা হয় না। বিশুদ্ধকরণের প্রক্রিয়া দীর্ঘ এবং কাঁচামাল আসে উঁচু পাহাড় থেকে, তাই খুব কম দামের শিলাজিৎ প্রায় সবসময়ই ভেজাল।

২০ গ্রামের কৌটো প্রতিদিন ব্যবহারে প্রায় দুই থেকে তিন মাস চলে, কারণ একবারে চালের দানার সমান পরিমাণই নিতে হয়।

খুব সস্তা ক্যাপসুল থেকে সাবধান — তাতে আসল রেজিনের পরিমাণ প্রায়ই খুব কম থাকে।

আসল শিলাজিৎ কীভাবে চিনবেন

এটিই সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন, এবং যুক্তিসঙ্গতও — নকল শিলাজিতে প্রায়ই গুড়, মোম বা রং করা পেস্ট থাকে। বাড়িতেই এই পরীক্ষা করতে পারেন:

  • ঈষদুষ্ণ জলে দিন — আসল শিলাজিৎ সম্পূর্ণ গলে যায় এবং সোনালি-বাদামি দ্রবণ তৈরি হয়, নিচে বালি বা ময়লা পড়ে থাকে না।
  • হাতের উষ্ণতায় নরম হয় এবং আঠালো হয়ে যায়। ঠান্ডা হলে আবার শক্ত হয়।
  • স্বাদ তীব্র তেতো ও মাটির মতো। মিষ্টি লাগলে সেটি গুড়, শিলাজিৎ নয়।
  • নকল জিনিস হয় শক্তই থাকে, নয়তো জলে ঘোলা দ্রবণ তৈরি করে যাতে কণা ভাসে।

শিলাজিতের উপকারিতা — ঐতিহ্য কী বলে

আয়ুর্বেদে শিলাজিৎ শত শত বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, মূলত শক্তি ও সহনশক্তির জন্য। এতে ফুলভিক অ্যাসিড ও নানা খনিজ থাকে।

স্পষ্ট কথা: এটি খাবার, ওষুধ নয়। আমরা কোনও রোগ নিরাময়ের দাবি করি না।

  • শারীরিক শক্তি এবং সারা দিনে ক্লান্তি কম অনুভব করা।
  • আয়ুর্বেদে একে রসায়ন বলা হয়েছে, অর্থাৎ শরীরকে পুষ্ট রাখে।
  • ফুলভিক অ্যাসিড, যা একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট।
  • শীতে ঈষদুষ্ণ দুধের সঙ্গে খাওয়ার পুরনো রীতি।

শিলাজিৎ কখন ও কীভাবে খাবেন

পরিমাণ কম রাখুন — চালের দানার সমান, অর্থাৎ প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম, দিনে একবার। এর বেশি খাওয়ার কোনও উপকার নেই।

  • একটি ছোট টুকরো ঈষদুষ্ণ দুধ বা জলে সম্পূর্ণ গুলে নিন।
  • সকালে খালি পেটে, বা রাতে ঘুমানোর আগে — দুটিই প্রচলিত নিয়ম।
  • গরম নয়, ঈষদুষ্ণ — খুব গরম জলে গুণ কমে যায়।
  • একটানা না খেয়ে মাঝে কয়েক দিন বিরতি রাখা ভালো বলে মনে করা হয়।

কাদের খাওয়া উচিত নয়

গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মহিলা, ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু, এবং যাঁদের কিডনিতে পাথর বা ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যা আছে — তাঁদের ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাওয়া উচিত নয়।

FAQ

আসল শিলাজিৎ চেনার উপায় কী?
আসল বিশুদ্ধ রেজিন চকচকে কালো-বাদামি হয়, হাতের উষ্ণতায় নরম হয়ে যায়, এবং ঈষদুষ্ণ জলে সম্পূর্ণ গলে সোনালি-বাদামি দ্রবণ তৈরি করে যাতে কোনও কণা থাকে না। স্বাদ তীব্র তেতো ও মাটির মতো।
শিলাজিৎ কখন খাওয়া উচিত — সকালে না রাতে?
দুটিই প্রচলিত। সকালে খালি পেটে ঈষদুষ্ণ জল বা হালকা দুধের সঙ্গে খেলে সারা দিন শক্তি থাকে। রাতে ঈষদুষ্ণ দুধের সঙ্গে খাওয়াও সাধারণ। মূল কথা পরিমাণ — চালের দানার সমান, দিনে একবার।
শিলাজিতের সঠিক পরিমাণ কত?
প্রায় ৩০০ থেকে ৫০০ মিলিগ্রাম, অর্থাৎ চালের দানার সমান, দিনে একবার। প্রথমবার খেলে এর চেয়েও কম দিয়ে শুরু করুন।
শিলাজিৎ কি প্রতিদিন খাওয়া যায়?
ঐতিহ্যগতভাবে কয়েক সপ্তাহ খেয়ে মাঝে বিরতি দেওয়ার রীতি, সারা বছর একটানা খাওয়ার নয়। আপনি কোনও ওষুধ খেলে আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করুন।
২০ গ্রাম শিলাজিৎ কতদিন চলে?
প্রতিদিন ৩০০–৫০০ মিলিগ্রাম খেলে ২০ গ্রামের কৌটো প্রায় দুই থেকে তিন মাস চলে।
রেজিন ভালো না ক্যাপসুল?
বিশুদ্ধ রেজিন সাধারণত ভালো বলে ধরা হয়, কারণ আপনি সেটি দেখে ও পরখ করে নিতে পারেন — গলে যাওয়ার ক্ষমতা, রং, স্বাদ সবই যাচাই করা যায়। ক্যাপসুলে ভেতরে কতটা আসল শিলাজিৎ আছে তা বোঝা যায় না।
মহিলারা কি শিলাজিৎ খেতে পারেন?
হ্যাঁ, ঐতিহ্যগতভাবে পুরুষ ও মহিলা দুজনেই খেয়ে আসছেন। তবে গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় খাওয়া উচিত নয়, যদি না ডাক্তার বলেন।
ডেলিভারিতে কত সময় লাগে?
আমরা সারা ভারতে DTDC-র মাধ্যমে পাঠাই — অনলাইনে পেমেন্ট করে, অথবা যেখানে DTDC সুবিধা দেয় সেখানে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে। সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টায় রওনা। অনলাইন পেমেন্টে সড়কপথে (DTDC Express) ৭–৮ দিনে, অথবা আকাশপথে (DTDC Airmax) রাজ্য অনুযায়ী ৪–৮ দিনে ডেলিভারি। ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ৭–৮ দিন লাগে; WhatsApp-এ আপনি অর্ডার নিশ্চিত করলে তবেই আমরা প্যাক করি। ₹3,000 বা তার বেশি অর্ডারে ডেলিভারি বিনামূল্যে; তার কম হলে অনলাইন পেমেন্টে ₹60 এবং ক্যাশ অন ডেলিভারিতে ₹99 ডেলিভারি চার্জ।

এটি একটি খাদ্যদ্রব্য, ওষুধ নয়। কোনও রোগ নিরাময়ের দাবি আমরা করি না।

Pampore Saffron FPO, J&K · FSSAI 11022470000019